মেনু নির্বাচন করুন

ধানকোড়া ইউনিয়নের ইতিহাস
 

     পুরান ঢাকার লালকুঠি সংলগ্ন ৩৮, নর্থ ব্রুক হল রোডে অবস্থিত এসএ, ৭১৪ আরএস, ১০৭৮ দাগ নং- ১১২, ১ একর ৬২ শতাংশ (এসএ খতিয়ানে ১ একর ২৬ শতাংশ) সরকারের ইজারা প্রদত্ত অর্পিত সম্পত্তি ফেলে দেশান্তরী হয়ে ভারতে অবস্থানরত মূল মালিক তৎকালীন জমিদার দ্বিজেন্দ্র রায় চৌধুরী। তিনি তৎকালীন বৃহত্তম ঢাকা; বর্তমান মানিকগঞ্জ জেলার ধানকোড়ার জমিদার ছিলেন।তিনি শিক্ষিত, পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। সপরিবারে তিনি নর্থ ব্রুক হল রোডের উল্লেখিত সম্পত্তিতে বসবাস করতেন। পাক-ভারত স্বাধীনতার পর ১৯৫৮ সালে জমিদার সপরিবারে ভরতের কলকাতায় দেশান্তরী হন এবং ১২৯, সাউদার্ন এভিনিউতে স্থায়ীভাবে বসবাসরত অবস্থায় ১৯৯৭ সালের ৪ মার্চ পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র দেবেন্দ্র রায় চৌধুরী ও বাচ্চু রায় চৌধুরী এবং দুই মেয়ে উর্মিলা রায় চৌধুরী মিনু ও সুচন্দা রায় ওরফে মিতা রায় চৌধুরীকে রেখে যান। পরবর্তীতে উর্মিলা রায় চৌধুরী মিনু পরলোক গমন করেন। বর্তমানে দুই ভাই এক বোন কলকাতায় বসবাস করেন। এ জমির প্রকৃত মালিক ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় ১৯৬৫ সালে শত্রু সম্পত্তি ও পরবর্তীতে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে সরকারী সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ সম্পত্তির দাবিদার রতন চন্দ্র রায় বলেন জমির মূল মালিক ছিলেন দীনেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী। তার একমাত্র ছেলে দ্বিজেন্দ্র রায় চৌধুরী। তার একমাত্র মেয়ের নাম কাদম্বিনী রায় চৌধুরী। কাদম্বিনীর একমাত্র ছেলে ছিল বিশ্বম্ভর চন্দ্র রায়। বিশ্বম্ভর রায়ের চার ছেলের মধ্যে রতন চন্দ্র রায় তৃতীয় সন্তান। (তথ্য সাপ্তাহিক তিলোত্তমা ২৫ নভেম্বর-১ডিসেম্বর২০১২ সংখ্যা-৩৩)

 

ধানকোড়া নামকরন ঃ ধনকোড়া ইউনিয়নের নাম করনে লোকমূখে শোনা যায় এক সময় এ এলাকায় ধানের ভাল আবাদ হইত। এবং অনেক লোক কোড়া নামক পাখি প্রতিপালন করত্। বর্ষা কালে এ কোড়া পাখি আমন ধানের ক্ষেতে পাওয়া যেত। এ থেকে এ এলাকার নাম হয় ধান ক্ষেতের মধ্যে কোড়া পাখি মানে ধানকোড়া। এ এলাকার জমিদারের নাম দ্বিজেন্দ্র রায় চৌধুরী তার দুই পুত্র বড় হিস্যায় হেম চন্দ্র রায় চৌধুরী ছোট হিস্যায় গিরিশ চন্দ্র রায় চৌধুরী।